২ . ভর্তিচ্ছু ছাত্রের অঙ্গীকার নামা
আমি ওয়াদা করিতেছি যে, নিম্নে বর্ণিত জামিয়ার যাবতীয় আইন-কানুন মেনে চলব।
আমি আমার জীবনের সকল ক্ষেত্রে শরীয়তের আহকাম পুরাপুরি মানিয়া চলিব। টুপি, দাঁড়ি, লেবাস-পোষাকে সুন্নত ও আসলাফে কেরামের অনুসরণ করিব।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সর্বদা জামাতে তাকবীরে উলার সহিত অত্র জামিয়ার মসজিদে আদায় করিব।
দৈনন্দিন সবক (পাঠ) শিখে দরসে (ক্লাসে) সময় মত উপস্থিত থাকিব। লেখাপড়া ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হিসাবে কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিব না।
জামিয়ার ছাত্র থাকাকালীন মুহতামিম সাহেবের লিখিত অনুমতি ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হিসাবে কোন পরিক্ষায় অংশগ্রহন করিব না।
জামিয়ার ভিতরে বা বাইরে কোন সমিতি বা রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত হইব না।
জামিয়ার কুতুবখানা হইতে গ্রহন করা কিতাব নষ্ট করিলে বা হারাইয়া গেলে তার ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিব।
গীবত, শেকায়েত, পরনিন্দা ও বিবাদ হতে বিরত থাকিব। কেউ দুর্ব্যবহার করিলে সম্ভব হইলে ক্ষমা করিয়া দিব। তা না পরিলে কর্তৃপক্ষকে জানাইব।
খোদা না করুক যদি কোন সময় ওস্তাদগণের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয় কোন অবস্থাতেই পক্ষপাত অবলম্বন করিব না।
কর্তৃপক্ষ ও আসাতিষায়ে কোরামের সাথে পূর্ণ সম্মান এবং ছাত্র ভাইদের সাথে ভদ্রতা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক বজায় রাখিয়া চলব আর প্রতিবেশী জনগণের সাথে সদ্ব্যবহার করব।
জামিয়ার যে কোন ব্যাপারে সন্দেহ হইলে তা অন্যের নিকট না বলিয়া সরাসরি মুহতামিম সাহেবের কাছ থেকে জানিয়া নিব।
জামিয়া কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ছাত্রাবাসের বাইরে অবস্থান, লজিং বাড়িতে থাকা বা টিউশনি করিব না।
জামিয়ার অভ্যন্তরে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ব্যবহার বা সংরক্ষণ করিব না।
বিনা অনুমতিতে বোর্ডিং এর রান্না ঘরে প্রবেশ করিব না।
জামিয়ার বোর্ডিং হতে যে খাবার দেওয়া হইবে তা আল্লাহ তা’য়ালার নিয়ামত মনে করিয়া খাইব। কোন সমালোচনায় লিপ্ত হইবো না।
অপরের জিনিস যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করিব না।
উস্তাদের অনুমতি ছাড়া গেইটের বাইরে যাইব না।
খানার ঝুটা, ময়লা ইত্যাদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলিব।
মাদ্রাসার পক্ষ হতে প্রণীত ‘নিযামুল আওক্বাত’ অনুযায়ী সমস্ত কাজ সম্পন্ন করিব।
যদি উল্লেখিত কানুন পরিপন্থি কোন কথা বা কাজে লিপ্ত হই, তবে জামিয়া কর্তৃপক্ষ আমাকে যে কোন শাস্তি দিতে বা জামিয়া থেকে বহিস্কার করিতে পারিবেন । এতে আমার / আমার অভিভাবক এর কোন প্রকার আপত্তি থাকিবে না।